পাসপোর্ট
কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
Admission 2026 — আবেদন চলছে · ২৮–২৯ জুলাই ২০২৬ অনলাইন ইন্টারভিউ
ডকুমেন্ট থেকে এম্বেসি ইন্টারভিউ — প্রতিটি ধাপে আপনার পাশে। কোন কাগজ কেন লাগে, সেটাও বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
৯২%
ভিসা অনুমোদনের হার
সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন আর নিখুঁত ডকুমেন্ট — এই দুটোই ভিসার ফলাফল ঠিক করে দেয়। আমরা শুরু থেকেই সেই দুটোতে মনোযোগ দিই।
প্রতিটি কাগজ আমরা একসাথে বসে গুছিয়ে দিই — কোনটা কেন লাগছে, সেটাও বুঝিয়ে বলি।
কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া অফিসিয়াল অফার লেটার।
SSC ও HSC সার্টিফিকেট, ট্রান্সক্রিপ্ট — সত্যায়িত।
আনুমানিক ৳ ১২,০০,০০০ (আনুমানিক) — নির্দিষ্ট সময় ধরে অ্যাকাউন্টে থাকতে হবে।
অভিভাবকের আয়ের প্রমাণ ও সম্পর্কের সনদ।
কেন কোরিয়া, কেন এই বিষয় — আমরা লিখতে সাহায্য করি।
ভিসা অনুমোদনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের। কোনো কনসালট্যান্সি — আমরা সহ — ভিসার গ্যারান্টি দিতে পারে না। কেউ গ্যারান্টি দিলে সাবধান হোন। আমাদের কাজ হলো আপনার ফাইলটা এমনভাবে তৈরি করা, যাতে সিদ্ধান্তটা আপনার পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনা সর্বোচ্চ থাকে।
কোন ধাপে কী হবে, আগেই জেনে নিন। কোথাও লুকানো কিছু নেই।
আপনার রেজাল্ট, বাজেট আর লক্ষ্য শুনে বাস্তবসম্মত পরামর্শ। কোনো ফি নেই।
আপনার প্রোফাইলে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ সবচেয়ে বেশি, সেটাই বেছে দেওয়া হয়।
সার্টিফিকেট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, SOP — প্রতিটি কাগজ পেশাদারভাবে গুছিয়ে দেওয়া হয়।
আবেদন জমা এবং প্রফেসরদের সাথে ইন্টারভিউয়ের পূর্ণ প্রস্তুতি।
যোগ্য প্রার্থীরা স্পট ইন্টারভিউতেই অফার লেটার পেয়ে যান।
ভিসা ফাইল প্রস্তুতি, এম্বেসি অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং ইন্টারভিউ প্রস্তুতি।
টিকিট, এয়ারপোর্ট পিকআপ আর প্রথম দিনের গাইডলাইন।
কোরিয়ায় পৌঁছে কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা — আমাদের দায়িত্ব এখানেই শেষ নয়।
উত্তর না পেলে সরাসরি ফোন করুন — কাউন্সেলিং ফ্রি, আর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
হ্যাঁ। আমাদের পার্টনার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য IELTS বাধ্যতামূলক নয়। তবে কোরিয়ান ভাষার প্রাথমিক দক্ষতা (TOPIK) থাকলে স্কলারশিপ ও পার্ট টাইম জব — দুটোতেই সুবিধা হয়। সেজন্য আমরা ঢাকাতেই ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স করাই।
বেশিরভাগ পার্টনার বিশ্ববিদ্যালয়ে GPA ২.৫০ থেকে আবেদন করা যায়। রেজাল্ট কম হলে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ বেশি, সেটা ফ্রি কাউন্সেলিংয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়।
প্রথম বছরে টিউশন ফি আনুমানিক ৳ ২,৬০,০০০–৩,৬০,০০০ প্রতি সেমিস্টার, আর কোরিয়ায় থাকা-খাওয়া মাসে ৳ ৩৫,০০০–৫০,০০০। তবে পার্ট টাইম জব করে মাসে ৳ ৭০,০০০–১,২০,০০০ আয় করা সম্ভব, যা দিয়ে অনেক শিক্ষার্থী নিজের খরচ নিজেই চালান।
ভিসা রিজেক্ট হলে আমাদের সার্ভিস ফি-র একটি নির্দিষ্ট অংশ ফেরতযোগ্য। শর্তগুলো কাউন্সেলিং সেশনেই লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়।
আমাদের চেয়ারম্যান Mr. Kim Jong Hyo নিজে কোরিয়ান, এবং আমরা GNU Korea-এর অফিসিয়াল রিপ্রেজেন্টেটিভ। কোরিয়া থেকে প্রফেসররা সরাসরি ঢাকায় এসে ইন্টারভিউ নেন — মাঝখানে কোনো তৃতীয় পক্ষ নেই। ঢাকা ও কোরিয়া — দুই জায়গাতেই আমাদের অফিস ও ফোন নম্বর আছে।
শিক্ষার্থী ভিসায় সপ্তাহে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করার অনুমতি আছে। আমরা কোরিয়ায় পৌঁছানোর পর কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা করি। তবে কাজ পাওয়া কোরিয়ান ভাষার দক্ষতার উপর অনেকটাই নির্ভর করে — এজন্যই ভাষা কোর্সে জোর দিই।
শুধু নাম আর ফোন নম্বর দিন। আমাদের কাউন্সেলর কল করে আপনার রেজাল্ট আর বাজেট শুনে বাস্তবসম্মত পরামর্শ দেবেন — কোনো ফি নেই, কোনো চাপ নেই।